পশ্চিম এশিয়ায় চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই আকস্মিক এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টানা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ইরানে সামরিক অভিযান চালালেও, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ইরানে নতুন করে বড় ধরনের হামলার অনুমতি দেননি তিনি। হঠাৎ এই পদক্ষেপে কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকেই আশা দেখছেন যে, যুদ্ধের পরিবর্তে হয়তো এবার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুলতে পারে।
সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে কূটনৈতিক পথে সমাধানের জন্য ওমানের একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে ইরানে রয়েছে। হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তারা ইরান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যোগাযোগ ও কথা অব্যাহত রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন যে, তেহরান যদি নতুন করে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রও চূড়ান্ত আঘাত হানতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ায় ইজ়রায়েলও নতুন করে আক্রমণের পথে হাঁটেননি। আগামী সপ্তাহেই ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা রয়েছে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। সেই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো নির্দেশ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের একাংশ এই যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, এর নেপথ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বা নতুন কোনো কূটনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন